১৪টি চার ও ২টি ছক্কায় ৫৮ বলে ১০৩ রানের অবিশ্বাস্য ম্যাচ খেলে মাঠ ছাড়েন আশরাফুল

ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালিয়ে ১০৩ রানে অপরা’জিত মোহাম্মদ আশরাফুল। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে দলকে ম্যাচ জিতিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সেরা খেলোয়াড়।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বি’পি’এল) প্রথম আসর অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১২ সালে। নানা প্রতি’বন্ধকতা পার করে পরবর্তী আসর মাঠে গড়িয়েছিল ২০১৩ সালেই। বিপিএলের দ্বিতীয় আসরে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স ও খুলনা রয়্যাল বেঙ্গলস।

প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে দলীয় মাত্র ১০ রানেই বিদায় নেন খুলনার দুই ওপেনার মোহাম্মদ মিথুন ও শাহরিয়ার নাফিস। তবে তিন নম্বরে নামা ট্র্যা’ভিস বির্ট ও জেহান মোবারক মিলে গড়েন ১২০ রানের বিধাল জুটি। এই জুটি বিচ্ছিন্ন হয় ৪৩ বল মোকা’বেলায় ৬টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ৬৫ রান করে সাজঘরে ফিরে গেলে।

অপর’প্রান্তে থাকা ট্র্যাভিসকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারছিলেন না কেউই। তাকে রেখে বাকি ব্যাটসম্যানরা আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দিলেও তিনি ক্রিজে টিকে থাকেন একদম শেষ পর্যন্ত। ৫৬ বল মোকাবেলায় ৬টি চার ও সমান সংখ্যক ছক্কা হাঁকিয়ে ট্র্যাভিস অপরাজিত ছিলেন ৯৪ রানে। তার ব্যাটে চড়েই নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭৬ রানের বড় পুঁজি পায় খুলনা রয়্যাল বেঙ্গলস।

১৭৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে এদিন সমুচিত দিয়ে’ছিলেন ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল। ইনিংস উদ্বোধন করতে নামা তিলেকা’রত্নে দিলশান এই ম্যাচে ছিলেন ব্যর্থ। ৮ বল মোকাবেলায় মাত্র ৪ রান করেন দিলশান। সুবিধা করতে পারেননি সাকিব আল হাসান কিংবা এনামুল হক বিজয়ের মত ব্যাটস’ম্যানরাও।

দলীয় মাত্র ৪৫ রানে ৩ উইকেট হারানো ঢাকার হয়ে আলোক’বর্তিকা নিয়ে আসেন অধিনায়ক আশরাফুল। জস কব’কে সাথে নিয়ে আশরাফুল গড়েন ৬১ রানের জুটি। ২০ বলে ৩১ রান করে জস কব সাজঘরে ফিরে গেলেও খুলনার বোলারদের তুলো’ধুনো করেন আশরাফুল। ড্যারেন স্টিভেন্সকে সাথে নিয়ে আশরাফুল মাঠ ছাড়েন ম্যাচ জিতিয়ে।

৫৮ বল মোকা’বেলায় এদিন আশরাফুল অপরাজিত ছিলেন ১০৩ রানে। যেখানে ছিল ১৪টি চার ও ২টি ছক্কার মার। তার এই শতকে ভর করেই সেদিন ঢাকা ম্যাচ জিতে নিয়েছিল ৬ উইকেটে। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়ে’ছিলেন আশরাফুল।

Leave a Reply

x