হিন্দু হয়ে প্রতারনা করে মুসলিম নারীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষন !

ময়মন’সিংহের ত্রিশালে মুসলমান ছেলে পরিচয় দিয়ে হি’ন্দু প্রতারক যুবক এক মুসলিম নারীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষন করেছে এবং মেয়ে’টি অন্তঃসত্তা হওয়ায় পিতৃত্বের দাবীতে ওই যুবকের কাছে অনু’নয় বিনয় করলেও তাকে সন্তান নষ্ট করার তাগি’দ দেয়।

বাধ্য হয়ে বাবার বাড়ী ফিরে গেলে সেখানে মেয়ে’টি গুরুতর অসুস্থ্য হলে তাকে ময়মন’সিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি মেয়ে’টি একটি মৃত ছেলে সন্তান প্রসব করে। পরে সন্তান নিয়ে শ্রী গোপাল দাসের বাড়ি’তে অবস্থান নেয়।

এিশাল থানা পুলিশ সংবাদ পেয়ে মেয়ে’টিকে নিয়ে তার অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় আবারও ত্রিশাল উপ’জেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এিশাল থানা পুলিশ বাচ্চার লাশ ময়নাতদন্তে ও ডি এন এ টেস্ট এর জন্য ময়মন’সিংহ মেডিকেল হাসপাতালে পাঠায়।

ভালুকা মডেল থানা পুলিশ ও স্থানী’য় সূত্রে জানা যায়,গত তিন বছর আগে ত্রিশাল উপজেলার ধানী’খোনা সোনাখালী গ্রামের ওই নারী ভালুকায় একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী’তে চাকুরী করতো। সে সুবাধে ভালুকায় বাসা ভাড়া করে সে বস’বাস করতো। অন্যদিকে ভালুকা গ্রামীণ ফোন কোম্পানী’তে চাকুরী করতো ত্রিশাল উপজেলার ধানী’খোলা সোনাখালী এলাকার গোপাল চন্দ্র দাস।

মেয়ে’টির সাথে পরিচয় হওয়ার পর গোপাল জানায় সে মুসলমান হয়েছে। তার নতুন নাম মেহেদী হাসান। মেহেদী হাসান তাকে বিয়ে করার প্রলো’ভন দেখিয়ে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। মুসলমান হওয়ার কারণে মেয়ে’টি সরল বিশ্বাসে তার প্রেমে সাড়া দেয় এবং শারিরীক সর্ম্পক গড়ে তোলে। তারা বাসায় নিজেদের স্বামী স্ত্রী পরিচয় দিয়ে মেয়ে’টির বাসায় রাত্রি যাপন করতো।

এক সময় মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে সে গোপাল চন্দ্র দাস ওরফে মেহেদী হাসান’কে তাগদা দেয়। এরপর থেকে তাদের মধ্যে যোগা’যোগ কমতে থাকে। মেয়েটি বিয়ের জন্য তাগদা দিলে গোপাল চন্দ্র দাস তার সন্তান’কে নষ্ট করার পরামর্শ দেয়।

অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় মেয়েটি শারিরীক’ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে গ্রামের বাড়ীতে চলে আসে এবং তার পরিবারকে বিষয়’টি অবগত করেন। ১৩ ফেব্রুয়ারি অন্তঃসত্ত্বা মেয়েটি গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে ময়মন’সিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

১৯ ফেব্রুয়ারি মেয়ে’টি একটি মৃত ছেলে সন্তান প্রসব করে। এরপর সে তার বাবার বাড়ীতে চলে আসেন। এখানে সে আবার ও অসু’স্থ হলে ২০ তারিখে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কম’প্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

২১ তারিখে মেয়ে’টি বাড়ীতে চলে আসে এবং ভালুকা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ভালুকা মডেল থানার ওসি মাঈনু’দ্দিন এর সত্যতা নিশ্চিত করেন।

Leave a Reply

x