সৃজিত খুব ছেলে-মানুষ, আয়রার থেকে ওর বয়স খুব বেশি না: মিথিলা…!

সৃজিত খুব ছেলে-মানুষ, আয়রার থেকে ওর বয়স খুব বেশি না: মিথিলা…!

 

কলকাতার জনপ্রিয় পরিচালক সৃজিত মু’খার্জি আজ (বৃহস্পতিবার) ৪৪ বছরে পা রাখলেন। নিজেরজন্মদিনেও শুটিং নিয়ে ব্যস্ত এই পরিচালক। ‘সাবাশ মিঠু’ ছবির শুটিংয়ে এই মুহূর্তে মুম্বাইতে রয়েছেনতিনি। এ’বারের জন্মদিনটা তাই সেখানেই সেলিব্রেট করছেন পরিচালক সৃজিত মুখার্জির-এর জন্মদিনউপলক্ষে বুধবার মাঝরাতেই বিশেষ সেলিব্রেশনের আ’য়োজন করেন স্ত্রী, অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা

এবং ছোট্ট আইরা। আ’ব্বুর জন্মদিনে ছোট্ট আইরার তরফে উ’পহার হিসাবে হাজির ছিল একটি সারপ্রাইজ কেক। মেয়ের সঙ্গে মিলে রাতেই কেক কাটলেন সৃজিত। সেই মুহূর্ত লেন্সবন্দি হল মিথিলার ক্যামেরায়। “কেক কে’টে আইরাকে খাইয়ে দিতেও দেখা গেল সৃজিতকে। আবার রাতে পাঁচ তারকা হোটেলে একসঙ্গে নৈশভোজও সারেন সৃ’জি’ত, মিথিলা ও আইরা।’

মিথিলার জীবনজুড়ে এখন সৃজিত। জন্মদিন উ’পলক্ষে কেক কাটা ও গি’ফট দেওয়ার পাশাপাশি লিখে’ জানালেন ভালোবাসা। মিথিলা সৃজিতকে নিয়ে কলকাতার এই সময়ে লিখেছেন কলাম। সেখা’নে শব্দে শ’ব্দে সৃজিতের প্রতি ভালো’বাসা ব্য’ক্ত করেন তিনি।’

সৃজিতকে উদ্দেশ্য করে মিথিলার সেই লেখা-‘
জন্মদিন, বিবাহ বার্ষিকী এই বিশেষ দিনগুলো সেলিব্রেট ক’রার ক্ষেত্রে আমি যতটা উৎসাহী, সৃজিত ঠিক ততটাই উদাসীন। মার্ক জাকারবার্গের হাতযশে পরিচয় হওয়ার পরে ২০১৯ সালে’ ওর প্রথম জন্মদিন। আমি তখন এ’কটা কনফারেন্সের কাজে আ’মেরিকায়। হঠাৎ করে সেখান থেকে সোজা কলকাতায় এসে জন্মদিনে চমকে দিয়েছিলাম।’ সেই সঙ্গে রা’তে বন্ধুদের নিয়ে সারপ্রাইজ ডিনার।’

এর পরের বছর, দ্বিতীয় জন্মদিনে সৃজিত শুটিংয়ে মুম্বাইতে’ ছিল। এবারও তাই। ‘জন্মদিন পালন নিয়ে তার কো’নো উৎসাহই নেই। কিন্তু আ’মি কী আর তা হতে দিতে পারি! তাই এবার আমি একা নয়, একসঙ্গে বার্থডে উইক কাটাব বলে আইরাকে নিয়ে মুম্বাইয়ে চলে এলাম। কি’ন্তু, এসে দেখি ব্য’স্ত নির্মাতা হায়দরাবাদে শুটিংয়ে রয়েছে। রাত ১২টার আগেই অবশ্য মুম্বাই ‘ফিরে এসে আমাদের চম’কে দিয়েছে। তারপ’র আইরা, আ’মি আ”র সৃজিত জমিয়ে সেলিব্রেট করেছি।

জন্ম’দিন বলতে ভীষণ আড়ম্বর, জাঁ’কজমক করে বড় পার্টি দেও’য়া নয়, আমার কাছে জন্ম”দিন পালন মানে প’রিবারের সঙ্গে একান্ত আ’পন কিছু মুহূর্ত কাটানো। এছাড়া প্রি’য়জনকে তার পছন্দের জিনিস উ’পহার দেওয়া, না হয় রান্না করে খা’ওয়ানো…। এই ছোট্ট জী’বনে অনেক অনেক কা’জের মাঝে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোটাই আশীর্বাদস্বরূপ। তার উপর যদি সৃজিত মুখার্জির মতো কাজ পাগল লোক হয় আর দু’জনকে দু’দেশের একাধিক শহরে কাজের জন্যে উড়ে বেড়াতে হয়, ত’বে তো কথাই নেই। এ’ বছর অতিমারি’র কারণে আ’মার জ’ন্মদিনে দু’জনে দু’ই দেশে আটকে ছিলাম। ভিডিও কলেই সৃজিত আর আইরার সঙ্গে আমার এব’ছরের জন্মদিন উদ’যাপন করতে হয়েছে।’

এই অনিশ্চিত জীবনে হ’য়তো প্রতিটি দিনই বিশেষ দি’ন, প্রতিটা মুহূর্তই অমূল্য।’ কিন্তু, সৃ’জিতের জন্ম শুধু তা’র মা-বাবাপরিবার নয়, এক প্রজন্মের বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শক ও সংশ্লিষ্ট সকলের জন্যে আশীর্বাদস্বরূপ। অ’ন্যদিকে, আইরা আর আমার জন্যে সৃজিত শু’ধুই যেন ভেজালহীন সোজাসাপটা বন্ধুত্ব-খুনসুটি-ঝগড়া-অভিমান-ভালবাসার খোরাক। সংসারী সৃ’জিত ভীষণ ছেলেমানুষ’। আয়রার থেকে ওর বয়’সের ফারাক খুব একটা বেশি নয়। আজ সৃজিতের জন্মদিনে ওর সুস্থতা, সুখ ও সমৃ’দ্ধি কামনা করি। শুভ জন্মদিন মি. মুখার্জি।’

Leave a Reply

x