রোগীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ

বেসরকারি একটি হাসপা’তালে চিকিৎসা করাতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক তরুণী শ্রমিক। হাসপাতাল’টির মালিক ওই তরুণী রোগীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করেছেন বলে অভি’যোগ উঠেছে। গত ২১ সেপ্টেম্বর গাজীপুরের শ্রীপুরে উপজেলার রাজা’বাড়ি ইউনিয়নের ধলাদিয়া এলাকায় ধর্ষণের ঘটনা’টি ঘটে। ঘটনার ছয় দিন পর গত রবিবার থানায় মামলা করেছেন নির্যাতনের শিকার ওই ত’রুণী।

এ ঘটনায় অভি’যান চালিয়ে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে অভিযুক্ত ধর্ষক ডা. নূরুল ইসলাম শেখকে (৪৭) গ্রেফ’তার করেছে পুলিশ। নূরুল ইসলাম শেখ গাজীপুরের রাজেন্দ্র’পুর এলাকার বাংলাদেশ-নরওয়ে ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগ’নস্টিক সেন্টারের মালিক। তিনি গাজীপুর মহানগরীর জানা’কুর এলাকার মৃত আবদুর রহমান শেখের ছেলে। নির্যাতিত ওই তরুণী গাজীপুর সদর উপ’জেলার একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক (২১)।

মামলার অভি’যোগ সূত্রে জানা গেছে, জ্বর, সর্দি-কাশি ও শরীর ব্যথা নিয়ে গত ২০ সেপ্টেম্বর সকালে ওই হাস’পাতালে চিকিৎসার জন্য যান তরুণীটি। ডা. নূরুল ইসলাম শেখ তাঁকে কোনো ব্যবস্থা’পত্র না দিয়ে রক্ত ও মূত্র পরীক্ষার জন্য বলেন। তা দেওয়ার পর কোনো কাগজপত্র না দিয়ে পর’দিন রিপোর্ট দেওয়া হবে বলে তাঁকে চলে যেতে বলেন। এর পরদিন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ডা. নূরুল ইসলাম তাঁর কাছে অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তি’কে পাঠান।

দ্রুত চিকিৎসক তাঁকে হাস’পাতালে যেতে বলেছেন বলে জানানো হয়। হাসপাতালে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বে’রিয়ে সড়কে উঠতেই কালো রঙের একটি পাজেরো ব্র্যান্ডের গাড়ি দেখেন তি’নি। ওই গাড়িতে ডা. নূরুল ইসলাম শেখ’সহ অজ্ঞাত পরিচয় আরো দুই থেকে তিন ব্যক্তিকেও দেখেন তিনি। সেখানে ওই চিকিৎসক তাঁকে জানান পরীক্ষার জন্য দেওয়া রক্ত ও মূত্র নষ্ট হয়ে গেছে। তা আ’বার দিতে হবে। পরে তাঁকে গাড়িতে তুলে হাসপাতালে না গিয়ে পাশের ধলাদিয়া এলাকায় ওই চিকিৎসকের বাগান’বাড়িতে নিয়ে যান। কুমতলব বুঝতে পেরে সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন তিনি। পরে শ্বাস’রোধে হত্যার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করেন তাঁকে। ধর্ষণের পর তা প্রকাশ করলে তাঁকে হত্যার পর লাশ গুম করে ফেলবেন বলেও হুমকি দেন ওই চিকিৎ’সক।

শ্রীপুর থানার উপ’পরিদর্শক (এসআই) এখলাস ফরাজী বলেন, ‘ভাই এই মুহূর্তে কোনো তথ্য দিতে পা’রছি না। মামলা হওয়ার পর ডা. নূরুল ইসলাম শেখ’কে গ্রেফতার করেছি। আর তা নিয়ে অনেক সমস্যা’য় পড়েছি।’ কিন্তু কী ধরনের সমস্যা তা জানান’নি তিনি।

Leave a Reply

x