রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে ৪ কর্মকর্তার নাম বললেন ‘ডা. সাবরিনা’

ডা. সাবরিনা ও আরিফকে জিজ্ঞাসা’বাদে গোয়েন্দারা জানতে পেরে’ছেন- সরকারের করোনা ফান্ডের ৫০০ কোটি টাকার দিকে নজর পড়েছিল আরিফ-সাবরিনা দম্পতির। ওই ফান্ডের টাকা হাতিয়ে নিতে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও মন্ত্রণালয়ের চার কর্মকর্তা’কে ম্যানেজ করেছিলেন তারা। কর্মকর্তা’দের নামও তারা জানিয়েছেন।

সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ পাওয়ার পর তাদেরও ডিবি জিজ্ঞাসা’বাদ করবে। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, ডা. সাবরিনার ফেসভ্যালুকে পুঁজি করেই চলছিল জেকেজির প্রতারণা’মূলক কর্মকাণ্ড।

গোয়েন্দা সূত্র আরও জানায়, রিজেন্ট হাসপাতালে’র চেয়ার’ম্যান মো. শাহেদের সঙ্গেও জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরীর ঘনিষ্ঠতা ছিল। তারা পরস্পরকে আগে থেকে চিনতেন। তাদের জানাশোনা ছিল দীর্ঘ’দিনের। নিয়মিত তারা পার্টিতে অংশ নিতেন।

সেই পার্টিতে চলত ডিজে-মাদকতা। শাহেদ-সাবরিনা ছাড়া সেই পার্টিতে আরও অনেক চেনামুখ অংশ নিতেন। গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসা’বাদে শাহেদ ও সাবরিনা একে অপরকে চেনা-জানার কথা অকপটে স্বীকার করে’ছেন। দিয়েছেন অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য।

করোনা সনদ জালি’য়াতির আইডিয়া শাহেদের কাছ থেকে পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন ডা. সাবরিনা।
জোবেদা খাতুন হেলথ কেয়ারের (জেকেজি) বিরুদ্ধে অভিযোগ- সরকারে’র কাছ থেকে বিনা মূল্যে নমুনা সংগ্রহের অনুমতি নিয়ে বুকিং বিডি ও হেলথ কেয়ার নামে দুটি সাইটের মাধ্যমে টাকা নিচ্ছিল এবং নমুনা পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া সনদ দিচ্ছিল জেকেজি।

অভি’যোগের সত্যতা পেয়ে ২২ জুন জেকেজির সাবেক গ্রাফিক্স ডিজাইনার হুমায়ুন কবীর হিরু ও তার স্ত্রী তানজিন পাটোয়ারীকে গ্রেফতার করা হয়।
সে করোনার ভুয়া সার্টিফিকে’টের ডিজাইন তৈরি করত বলে হিরু জানায়।

আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তি’মূলক জবানবন্দিতেও হিরু জেকেজির জালিয়াতির কথা স্বীকার করেছে। এরপর ২৩ জুন জেকেজির সিইও আরিফুলসহ চারজন গ্রেফতার হয়।

আর আরিফুলকে জিজ্ঞাসাবা’দে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা’র সম্পৃক্ততা উঠে আসে। তবে সাবরিনা নিজেকে জেকেজির চেয়ারম্যান নয় বরং প্রতিষ্ঠানটির কোভিড-১৯ বিষয়ক পরামর্শ’ক বলে দাবি করেন।

Articles You May Like

Leave a Reply

x