রিকশাচালক বাবার দুই ছেলে বি_সি_এস ক্যাডার.!

আব্দুল খালেক শেখ, বয়স ৮১বছর। রিক’শা চালিয়ে অর্থ উপার্জন করে তিন ছেলেকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে’ ‘স্থাপন করেছেন বিরল দৃষ্টান্ত। আব্দুল খালেক শেখ এর গ্রা’মের বাড়ি বাগেরহাটের কাঁঠাল গ্রামে হলেও মুক্তিযুদ্ধে’র পর থে’কে তিনি খুলনায় বসবাস করেন।’

খুলনা শিপইয়ার্ডে বেশ কয়েক বছর চাকরি করেছেন’। এখনও থাকেন সেই এলাকায়। ৪০ বছর বয়সে তিনি বি’য়ে করেছেন। তিন ছেলের বাবা তিনি। তার স্ত্রী ফাতেমা এক সময়’ খুলনার বন্ধ হয়ে যাওয়া দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরিতে কাজ করতেন’।

আব্দুল খালেক শেখ জানান, বড় ছেলে টুটুল শেখ ঢা’কা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি বিভাগে পড়াশোনা শেষ ক’রে ৩৪তম বিসিএস দিয়ে গাইবান্ধায় চাকরিতে যোগ দিয়েছেন। তার ‘ ছেলে ইব্রাহিম শেখ খুলনার সরকারি বিএল কলেজ এর বিভাগে’ পড়াশোনা শেষ করে ৩৬তম বিসিএস পাস করে ঢাকায় আ’ছেন।

আর ছোট ছেলে সোহরাব শেখ খুলনা মেডিকেল কলেজ ‘থেকে এমবিবিএস শেষ করেছেন। গাজী মেডিকেল কলেজ হাস’পাতালে সার্জারি বিভাগে প্র্যাকটিসও করছেন।

তিনি বলেন, “আমি শিক্ষিত হতে না পারলেও ছেলেদের পড়াশোনার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করিনি। সংসার চালাতে ‘কষ্ট হলেও ছেলেদের শিক্ষিত করতে প্রাণপণ চেষ্টা করেছি। ত’বে শুধু আমার একার চেষ্টা নয়, ছেলেদের প্রবল আগ্রহ আর মেধার কারণে তারা শিক্ষিত হতে পেরেছে।”’

ছেলেদের কষ্টের কথা বলতে গিয়ে আব্দুল খালেক শেখ বলে’ন, “আমার একার উপার্জিত টাকায় অনেক সময় সবার খরচ ‘বহন করতে পারতাম না। তাই ওরা Private পড়িয়ে নিজেদে’র পড়ার খরচ নিজেরাই যুগিয়েছে। সন্তানদের পড়াশোনায় আমার স্ত্রী’ আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছে।

তার জীবনের স্বার্থকতা কি জানতে চাইলে গর্বিত পিতা’ আব্দুল খালেক বলেন, “আমি দুনিয়া থেকে চলে গেলে সবাই ব’লবে ওদের তো মানুষের মতো মানুষ করেছি। আশা করছি ছেলেদের যেখানে পৌঁছে দিতে পেরেছি তাতে তাদের কাজের কারণে” কেউ আমাকে কেও গালি দিতে পারবে না।”

ছেলেরা রিকশা চালাতে মানা করে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ছেলেরা রিকশা চালানো ছেড়ে দিতে চাপ দিচ্ছে । ওরা পুরোদমে বেতন পেলে ছেড়ে দিবো।চ

Leave a Reply

x