যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে..!

দেড় দশকে’র রিয়াল মাদ্রিদ-অধ্যায় শেষ’ করে গত রাতে সান্তি’য়াগো বার্নাব্যুকে বিদায় বলে দিয়ে’ছেন মার্সেলো। রিয়া’লের ঘরের মাঠে শেষ ম্যা’চ খেলতে নেমে’ছিলেন এই ব্রাজিলিয়ান। এত বছরে’র জমানো আবেগ–অনু’ভূতিগুলো যেন বেদনার সু’রে বার্নাব্যুর প্রতিটি কোনায় ধ্ব’নিত হচ্ছিল।

১৯ বছর ব’য়সে ২০০৭ সালে যখন ফ্লুমি’নেন্স থেকে রিয়ালে পা”ড়ি জমিয়েছিলেন মার্সে’লো, কে ভেবেছি’লেন, এই ছেলে সাদা জা’র্সিতে এত সফল হবেন? দেড় দশ’কে লস ব্লাঙ্কোদের হ’য়ে সবচেয়ে বেশি শিরোপা জিতে’ছেন (২৪টি)। ছয়টি লিগ শি’রোপা ও চারটি চ্যাম্পি’য়নস লিগ শিরোপা জ্বল’জ্বল করছে নামের পা’শে। শুরুর দিকের কয়েকটা মৌ’সুম বাদ দিলে প্রা”য় প্রতিটি মৌসুমেই রি’য়াল একাদশের অবি’চ্ছেদ্য অংশ ছিলেন। এমন এক খেলো’য়াড়ের বিদায়ে সান্তি’য়াগো বার্নাব্যুর পরিবেশ ভারী হ’য়ে উঠবে না, তা ” হয়?

সের্হিও রামো”স যাওয়ার পর রিয়াল মাদ্রি’দের অধিনায়’কের দায়িত্ব পেলেও এক থে’কে দেড় মৌসুম ধরে একা’দশে অনিয়মিত মার্সে’লো। তাঁর জায়গায় এখন লেফ’টব্যাক হিসেবে সুযোগ পান ফা’রলাঁ মেন্দি। গত রাতেও সেটা’ই হয়েছিল, মার্সেলো ছি’লেন বেঞ্চে। মাঠে রিয়া’লকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন করিম বেন’জেমা। ৭০ মিনিটে মে’ন্দির জায়গায় নামানো হয় মার্সে’লোকে। তখনই অধিনায়ক’ত্বের আর্মব্যান্ডটা মার্সে’লোর হাতে পরিয়ে দেন বেন’জেমা

লেফট’ব্যাক হলেও বল পায়ে অবি’শ্বাস্য দক্ষতা মার্সে’লোকে অনন্য করে রেখেছিল। মার্সে’লোর পায়ে বল—গত রাতে’ই আনুষ্ঠানিকভাবে সেটি শেষ’বারের মতো দে’খেছে বার্নাব্যু

ম্যাচের ”শেষে বার্নাব্যুতে যাওয়া দর্শকদের শেষ’বারের মতো অভি’বাদন জানাচ্ছেন এই ব্রাজিলি’য়ান লেফট’ব্যাক

ব্রাজি’লের ক্লাব থেকে সরাসরি রিয়াল মাদ্রি’দের মতো বড় ক্লাবে গি’য়েও যে সফল হওয়া ”যায়, সে পথ তো রদ্রিগো-ভিনি’সিয়ুসদের মার্সেলোই দেখিয়ে’ছেন। শুধু ব্রাজি’লই নয়, মার্সেলোকে দেখে অনু’প্রাণিত হয়েছেন কামা’ভিঙ্গা-ভালভার্দেদের মতো অন্যা’ন্য দেশের ফুটব’লাররাও। বিদায়বেলায় সে কার’ণেই হয়তো মার্সেলোকে বি’শেষ এই সম্মান!

Leave a Reply

x