মৃত মায়ের বুকে দুধের শিশুর: কান্না হৃদয়বিদারক দৃশ্য হাসপাতালে…

মৃত মায়ের বুকে দুধের শিশুর: কান্না হৃদয়বিদারক দৃশ্য হাসপাতালে…

‘মা’ একটি ছোট্ট শব্দ। এই শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সব মায়া, মমতা, অকৃত্রিম স্নেহ, আদর, নিঃস্বার্থ ভালোবাসার সব সুখের কথা। চাওয়া-পাওয়ার এই পৃথিবীতে বাবা-মায়ের ভালোবাসার সঙ্গে কোনো কিছুর তুলনা চলে না।

মা’য়ের তুলনা মা নিজেই। মায়ের মতো এমন মধুর শব্দ অভিধানে দ্বিতীয়টি আর নেই। নদীর তলদেশে তো যাওয়া যায় কিন্তু মায়ের ভালোবাসার গভীরতা পরিমাপ করা যায় না।নতুন খবর হচ্ছে, হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছে সুমি বেগম। পাশে কাতরাচ্ছে তার নয় মাসের কন্যাশিশু।

 

বাকি সবার কাছে সুমি তখন মৃত। কিন্তু তার অবুঝ শিশু জানে না মৃত্যু কি, জানে না মা বলে তার আর কেউ নেই। তাইতো তখনো চেষ্টা করে যাচ্ছিলো মায়ের বুক থেকে দুধপানের।

সামাজিক মা’ধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই দৃশ্য দাগ কেটেছে সবার মনে। ঘটনাটি ঘটেছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।

বুধবার (৩০জুন) তীব্র পেটব্যথা নিয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয় ২৫ বছর বয়সী সুমি বেগম। গতকাল বৃ’হস্পতিবার (০১জুলাই) দুপুরে মারা যান তিনি। তিনি কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামের মন্নান মিয়ার মেয়ে।

মৃত নারীর ভাই পারভেজ মিয়া জানান, সপ্তাহখানেক আগে সে বাবার বাড়ি বেড়াতে এসেছিলো। এর মধ্যে পেটব্যথার সমস্যা নিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পারভেজ মিয়ার অভিযোগ, হাসপাতালে চিকিৎসক ও সেবিকারা রোগীকে গু’রুত্ব দেয়নি।

 

 

এখানে চিকিৎসার যথাযথ ব্যবস্থা না থাকলে তারা রোগীকে উন্নত হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দিতে পারতেন বলেও উল্লেখ করেন পারভেজ।
অন্যদিকে, হাসাপাতাল ক’তৃপক্ষের দাবি, ঐ নারীকে যথাযথ চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে।

 

গণমাধ্যমকর্মী ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছেন কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এম মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া।

বুধবার (৩০জুন) তী’ব্র পেটব্যথা নিয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয় ২৫ বছর বয়সী সুমি বেগম। গতকাল বৃহস্পতিবার (০১জুলাই) দুপুরে মারা যান তিনি। তিনি কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামের মন্নান মিয়ার মেয়ে।

মৃত নারীর ভাই পারভেজ মিয়া জানান, সপ্তাহখানেক আগে সে বাবার বাড়ি বে,ড়াতে এসেছিলো। এর মধ্যে পেটব্যথার সমস্যা নিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পারভেজ মিয়ার অভিযোগ, হাসপাতালে চিকিৎসক ও সেবিকারা রোগীকে গুরুত্ব দেয়নি।

 

এখানে চিকিৎসার যথাযথ ব্যবস্থা না থাকলে তারা রোগীকে উন্নত হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দিতে পারতেন বলেও উল্লেখ করেন পারভেজ।
তিনি বলেন, বিষয়টি অবগত হবার পর তিনি ঐ রোগীর ফাইল তলব করে দে,খেছেন। চিকিৎসায় তিনি কোনো অসঙ্গতি দেখেননি। তবে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে দেখার আশ্বাস দেন তিনি।

Articles You May Like

Leave a Reply

x