পাপিয়াকে গ্রেপ্তারের দুইদিন আগেও পাহাড়ি যৌনকর্মী আনতে গিয়েছিলেন..

মাফিয়ার মতোই শব্দটি পাপিয়া।
আমরা মাফিয়া বলতে বুঝি যারা অনৈতিক কর্মকান্ডের বস।

এই পাপিয়া নরসিংদী জেলার যুব মহিলা লীগের একসময় সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

তার কলেজ লাইফ থেকেই বেপরোয়া জীবন শুরু হয়েছিল।

নরসিংদী সরকারি কলেজে থাকা অবস্থায় স্থানীয় অনেক রাজনৈতিক নেতাকর্মীর সাথে সম্পর্ক গড়ে ওঠে ।
তারপর থেকেই সে বেপরোয়া হয়ে ওঠে।

পাপিয়া যে মহিলা হোস্টেলে থাকতো সেই হোস্টেলের একটি রুম সে নিজের করে নিয়েছিল।

আর পাপিয়ার দাপটে ওই মহিলা হোস্টেলে অনেক বহিরাগত ছেলে যাওয়া-আসা করত।

পাপিয়া মাদক ব্যবসায়ী অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তারপর তাকে ১৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।

পাপিয়াকে রিমান্ডে নেওয়ার পর থেকেই,
পাপিয়ার কাছ থেকে তার অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অনেক চঞ্চল কর তথ্য বেরিয়ে আসছে।

পাপিয়া মেয়েদেরকে চাকরি দেওয়ার লোভ দেখিয়ে তাদেরকে দিয়ে দেহ ব্যবসা করতেন।

আর অধীনে প্রায় ১৭০০ যৌনকর্মী কাজ করতো।

পাপিয়ার বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় নেটওয়ার্ক ছিল ।
এবং দেশের বাইরে ছিল তার নেটওয়ার্ক।

পাপিয়া রাশিয়া থেকেও যৌনকর্মী আনতেন বাংলাদেশ।

পাপিয়াকে যেদিন গ্রেপ্তার করা হয়,
তার দুই দিন আগেও পাহাড়ি সুন্দরী রমণীদের কে তার আস্তানায় আনার জন্য,
খাগড়াছড়ি রাঙ্গামাটি ঘুরে এসেছেন।
পাপিয়া রিমান্ডে এসব তথ্য দেয়।

Articles You May Like

Leave a Reply

x