নির্বাচনের আগে অনেক আশ্বাস, নির্বাচনের পরে তাদের কোনো খবর নেই!

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজে’লার বারুয়াখালী ইউনিয়নের ভাঙ্গা’পাড়া হয়ে জৈনতপুর, দীর্ঘগ্রাম দিয়ে জয়’কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ঘোষাইল, রাজাপুর, বালেঙ্গা যাওয়ার একমাত্র রাস্তাটির ভাঙ্গা’পাড়া গ্রামের একাংশে কাঁদা-গর্তে জলাদ্ধতায় একাকার ।

এলাকাবাসী চলা’চলের একমাত্র রাস্তা এটি। বিকল্প কোনো রাস্তা না থাকায় প্রতি’নিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে তাদের। মাঝে মাঝে নিজ উদ্যোগে এলাকা’বাসী রাস্তাটি সংস্কার করলেও কিছুদিন যেতে না যেতেই আবার পুরনো চেহারা ফিরে পায় রাস্তাটি।

ফলে দুর্ভো’গের শেষ নেই এই অঞ্চলের মানুষের। উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার পশ্চিমে এলাকাটি অবস্থিত হওয়ায় অনেকটাই অবহেলিত বলেও জানান এলাকাবাসী। সামান্য বৃষ্টি’তেই কাঁদা মাটি মারিয়ে চলতে হয় তাদের। এলাকা’বাসী রাস্তাটি সংস্কারের দাবি জানান।

এলাকাবাসী’র অভিযোগ, নির্বাচনের আগে জনপ্রতিনিধিরা শত আশ্বাস দিলেও নির্বা’চনের পরে আর কোনো খবর নেন না তারা। আশ্বাস আর প্রতিশ্রুতি’তেই থাকে কাজ। কাজের কাজ কিছুই হয় না। সংস্কার না হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাতে হয় সারাবছরই।

ইজিবাইক, মোটর’সাইকেল, ভ্যান, রিক্সা ও মালবাহী বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে রাস্তাটি দিয়ে। এছাড়া রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন ৬ টি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ হাঁট-বাজার, স্কুল-কলেজ, ব্যাংক , হাসপাতাল সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যাতা’য়াত করে।

সরেজ’মিনে গিয়ে দেখা যায়, জৈনতপুর থেকে ঘোষাইল পর্যন্ত রাস্তাটি দিয়ে কোনোভাবে চলাচল করতে পারলেও ভাঙ্গাপাড়া গ্রামের একাংশ ই বেহাল। ভাঙ্গাপাড়া বাইতুন নূর জামে মসজি’দের সামনে সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটু পানি।

নেই পানি নিষ্কাষ’নের কোনো ব্যবস্থা। ইজিবাইক, মোটরসাইকেল চলাচ’ল করলেই কাঁদা-পানি ছিঁটে আসে শরীরে। নষ্ট হয় পরনের জামাকাপড়। রাস্তাটি দিয়ে বৃষ্টি হলে পায়ে হেঁটে চলাচল করাও দায়।

Articles You May Like

Leave a Reply

x