এ খবর প্রকাশ করেছে পাকিস্তানি গণমাধ্য’ম ডন ও সামা টিভি। প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযুক্ত সালমা ২%০১৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তার নিজের এলাকায় লিখিত ডকুমে%ন্ট প্রকাশ করেন এবং তা বিতরণ করেন। এতে তি’নি খতমে নবুওয়াতকে অস্বীকার করেন। নিজেকে নবী বলে ঘো’ষণা ক’রেন। স্থানীয় অধিবাসীরা বিষয়টি আমলে নেওয়ার প’র তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।’

এরপর তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তদ’ন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্বলিত ডকুমেন্ট দাখিল করে ‘নিশতার কলোনি পুলিশ। এতে তাকে দোষী দেখানো হয়। এ নিয়ে ‘প্রায় দেড় বছর মামলা চলে। এ সময়ে অভিযুক্ত সালমার পক্ষে প্রথম যে আবেদন করা হয়, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন।”

এ ঘোষণার পর একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা %হয়। তারা সালমাকে বিচারের জন্য আনফিট বা যোগ্য নন বলে %ঘোষণা করে। কিন্তু মামলা চলমান অবস্থায় থাকে প্রায় দুই বছর। “শেষ পর্যন্ত তার মেডিকেল চেক করে জেল কর্তৃপক্ষ। এরপর’ তারা আদালতকে লিখিতভাবে জানায়, সালমা বিচারের ম’তো সুস্থ অবস্থায় আছেন।”

আবার বিচারকাজ শুরু হয়। সেখানে বিবাদীপ”ক্ষের দাবি তুলে ধরা হয় আবারও। বলা হয়, সালমা মানসিক “ভারসাম্যহীন ছিলেন ঘটনার সময়। অন্যদিকে বাদীপক্ষের আই”নজীবী সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট গুলাম মুস্তাফা চৌধুরী যুক্তি” তুলে ধরেন- একজন অভিযুক্তকে মানসিক ভারসাম্যহীন হিসে%বে বিচার শুরুর দেড় বছর পরে আবেদন দাখিল করা যেতে পারে কিনা। তিনি প্রশ্ন রাখেন কিভাবে একজন মানসিক ভারসা”ম্যহীন নারী একটি স্কুল পরিচালনা করেন এবং ক্লাসে শিক্ষা “দেন।

তিনি আরও প্রশ্ন রাখেন, কীভাবে একজন মানসিক” ভারসাম্যহীন নারী বেশ কয়েকবার বিদেশ সফরে গিয়েছেন? এ ছাড়া বিচার চলার সময় অভিযুক্ত সালমা তার ” সম্বলের অধিকার তার স্বামীর কাছে আইনি প্রক্রিয়ায় হস্তান্ত”র করেছেন।

জবাবে প্রসিকিউশনের আইনজীবীরা বলেছেন, তারা মৌখিক এবং ডকুমেন্টের ভিত্তিতে অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছেন। পক্ষান্তরে অভিযুক্ত তার পক্ষে উপযুক্ত ডকুমেন্ট জমা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। সালমা তার রেকর্ডেড জবানব’ন্দিতে বলেছেন, তিনি খতমে নবুওয়াতে বিশ্বাস করেন। কিন্তু ২০১৩ সালে হজের আগে তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছিলেন। উভয়পক্ষের যুক্তি শুনে অতিরিক্ত জেলা ও সেশন জজ অভিযুক্ত সালমার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ও ৫০ হাজার রুপি জরিমানা করেন।’