গল্পটা সফল ‍উদ্যোক্তা তরুণ এরশাদের

কর্ম’সংস্থান সৃষ্টি করে বেকার সমস্যা কমানোর লক্ষেই প্রত্যন্ত গ্রামে গরু ও মহিষের খামার প্রতিষ্ঠা করেন এরশাদ
নিজে লাভবান হওয়ার পাশা’পাশি এলাকার শিক্ষিত তরুণদের উদ্বুদ্ধ করতে করোনা মহা’মারিতে গ্রামের বাড়িতে গরু ও মহিষের খামার গড়ে তুলেছেন। কিশোর’গঞ্জের তরুণ উদ্যোক্তা এরশাদ উদ্দিনের খামারে বাহারি গরু, মহিষ দেখতে ভিড় করছের অনেকে। আগামী কোর’বানির হাটে তিন কোটি টাকার পশু বিক্রি করার আশা করছেন তিনি।
জেলার করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামত’পুর ইউনিয়নের রৌহা এলাকার একটি খামার। এখানে দেখা মিলবে নানা রং আর জাতের পশু। কোর’বানির জন্য প্রাকৃতিক খাবারে এখানে মোটা’তাজা করা হচ্ছে, বিশালাকারের ষাঁড়, মহিষ এবং গয়াল।
গত বছর করোনা মহা’মারির প্রথম দিকে মাত্র ২০টি গরু কিনে খামার শুরু করেন রৌহা গ্রামের তরুণ উদ্যোক্তা মো. এরশাদ উদ্দিন। গাছ’সহ ভুট্টা, সবুজ ঘাস সহ দেশি খাবারে খামারের পশুগুলো বেড়ে উঠছে দ্রুত। দূর-দূরান্তের লোকজন খামারে আসছেন আকর্ষণীয় পশু’দের দেখতে। এতে করে এলাকার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশা’পাশি কম খরচে পশু মোটা’তাজাকরণে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন অনেকে।
শুধু লাভের আশায় নয়, গ্রামের শিক্ষিত বেকার যুবক’দের উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকার সমস্যা কমানোর লক্ষেই প্রত্যন্ত গ্রামে খামার প্রতিষ্ঠা করেছেন বলে জানিয়েছেন খামার’টির প্রতিষ্ঠাতা মো. এরশাদ উদ্দিন।
খামারে ২৫০টি পশুর মধ্যে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে, ১৫০টি ষাঁড় ও ৪০টি মহিষ ও ৮টি গয়াল। আগামী বছর থেকে খামারে এক হাজার পশু মোটা’তাজা করা হবে বলে জানিয়েছে খামার কর্তৃপক্ষ।

Articles You May Like

Leave a Reply

x