কোরআনের আলোকে, রিজিক লাভের উপায়..!

রিজিক উপার্জনে জাগতিক বৈধ সব উপায়, অবলম্বনের পাশাপাশি খোদাভীতি, আল্লাহর ওপর আস্থা এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাসহ ক্ষমা প্রার্থনার, মতো ইবাদত-বন্দেগি ধারাবাহিক, চালিয়ে যেতে হবে। কারণ পবিত্র কোরআনে এসব আমলে রিজিক বৃদ্ধির কথা ঘোষিত, হয়েছে।
খোদাভীতি : ইরশাদ হয়েছে, ‘আর যে আল্লাহকে, ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য নিষ্কৃতির পথ করে দেবেন। আর তাকে, তার ধারণাতীত জায়গা থেকে রিজিক দেবেন।’ (সুরা : তালাক, আয়াত : ২-৩)

আল্লাহর ওপর ভরসা : ইরশাদ হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর, ওপর ভরসা করে তার জন্য তিনিই যথেষ্ট। আল্লাহ তার, কাজ পূর্ণ করবেন। আল্লাহ সব কিছুর জন্য একটি পরিমাণ, স্থির করে রেখেছেন।’ (সুরা : তালাক, আয়াত : ৩)

কৃতজ্ঞতা প্রকাশ : ইরশাদ হয়েছে, ‘যদি তোমরা, শুকরিয়া আদায় করো, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের, আরো বাড়িয়ে দেব। আর যদি তোমরা অকৃতজ্ঞ হও, নিশ্চয় আমার, আজাব বড়ই কঠিন।’ (সুরা : ইবরাহিম, আয়াত : ৭)
দান-সদকা করা : ইরশাদ হয়েছে, ‘এমন কে আছে যে, আল্লাহকে ঋণ দেবে, উত্তম ঋণ; অতঃপর আল্লাহ তাকে, দ্বিগুণ-বহুগুণ বৃদ্ধি করে দেবেন। আল্লাহই সংকুচিত করেন এবং তিনিই প্রশস্ততা দান করেন এবং তাঁরই, কাছে তোমরা সবাই ফিরে যাবে।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৪৫)

ইস্তিগফার তথা ক্ষমা, প্রার্থনা করা : ইরশাদ হয়েছে, ‘অতঃপর (আমি নুহকে) বলেছি, তোমরা তোমাদের পালনকর্তার, ক্ষমা প্রার্থনা করো। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের, ওপর অজস্র (রিজিক উৎপাদনে) বৃষ্টিধারা ছেড়ে দেবেন, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বাড়িয়ে, দেবেন, তোমাদের জন্য উদ্যান স্থাপন করবেন এবং তোমাদের, জন্য নদী-নালা প্রবাহিত করবেন।’ (সুরা : নুহ, আয়াত : ১০-১২)

আল্লাহ আমাদের উত্তম রিজিক অর্জনের, পথে সব সংকীর্ণতা ও প্রতিবন্ধকতা দূর করে দিন।

Leave a Reply

x