কলেজ ও স্কুলছাত্রী দুই বোন ধর্ষণ, অন্তরঙ্গ ছবি ফেইসবুকে!

কলেজ ও স্কুল’ছাত্রী দুইবোনকে ধর্ষণের পর অন্তরঙ্গ ভিডিও ফেইস’বুকে ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। স্কুলছাত্রীকে তার সঙ্গে বিয়ে না দেয়ায় অন্তরঙ্গ ছবি ফেইসবুকে ছড়িয়ে দি’য়েছে সে। এর অাগে অন্তরঙ্গ ছবি প্রকাশের ভয় দেখিয়ে দুইবো’নকেই একাধিকবার ধর্ষণ করেছে সে। বিষয়টি টের পেয়ে ওই দুই বোনকে ভা’রতে পাঠিয়ে দেন বাবা-মা। এতেও রক্ষা হয়নি। শেষ’তক তাদের অ’ন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ফেইসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছে তপন চক্রবর্তী নামে ওই যুবক। এনিয়ে ওই দুই ছাত্রীর মা সংবাদ সম্মে’লন করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে ওই দুই ছা’ত্রীর মা অভিযোগ করেন, তালা উপজে’লার হাজরা’কাটি গ্রামের সুনীল ঠাকুরের ছেলে তপন চক্রবর্তী নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে এলাকায় যাতয়াত করতো।’ তার স্ত্রী ও দুই ছেলে সন্তান রয়ে’ছে। সে ফুঁসলিয়ে আমার কলেজ পড়ূয়া মে’জো মেয়ের (২১) সঙ্গে তিন বছর আগে সম্পর্ক গড়ে তোলে। এরপর আমা’দের বাড়িতে যাতা’য়াত শুরু করে। তপন চক্রবর্তী বিবাহিত ও দুই স’ন্তানের জনক, এটা জানতে পেরে আমার মেয়ে তাকে বিয়ে করবে না বলে জানিয়ে দেয়।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তপন চক্রব’র্তী মেয়ের সঙ্গে বিভিন্ন সময় তোলা আপ’ত্তিকর ছবি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়ার হুম’কি দিয়ে তাকে ধর্ষণ করতে থাকে। বিষয়টি মেয়ে আমাদের জানালে তিন মাস আগে ভারতে’র চব্বিশ পরগনার বনগা এলা’কায় বসবাসরত বড় মেয়ের বাড়িতে তাকে পাঠিয়ে দেই। সেখানে গত ডিসেম্বরের প্রথম দিকে অন্য ছেলের সঙ্গে মে’য়ের বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের বিষয়টি জানতে পেরে তপন আমার ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছোট মেয়ে’কে (১৫) ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে ছবি ও ভিডিও তুলে রাখে। ছোট মেয়ে বিষয়টি ঘটনা আমাদের জানালে নিরুপায় হয়ে তাকেও ডিসে’ম্বরের শেষের দিকে ভারতে বড় বোনের কাছে পাঠিয়ে দেই। সেখানে যাওয়ার পর ছোট মেয়েকে বাড়ি ফিরে আসার জন্য মোবাইল ফোনে চাপ দিতে থাকে তপন। ছোট মেয়ে’কে সে বিয়ে করতে চায়। বাড়িতে না আসলে দুই বো’নের আপত্তিকার ভিডিও ও ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। মেয়ে বাড়িতে না আসায় দুই বো’নের সঙ্গে বিভিন্ন সময় তোলা অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ভুয়া ফেসবুক খুলে ছড়িয়ে দিতে থাকে তপন।

সম্মানের ভয়ে গত ৮ জানুয়ারি (মঙ্গলবা’র) রাতে ভারতে বড় মেয়ের বাড়িতে আমার ছোট মেয়ে বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। বর্তমানে সে সেখানে একটি হাসপাতালে চিকি’ৎসাধীন। এর আগে গত ৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আমার স্বামীকে মহান্দি বাজার থেকে মাইক্রোবাস যোগে তুলে এনে তা:লা উপজেলা পরিষদের সাম’নে তপন চক্রবর্তীর নিজ অফিসের মধ্যে’ মারপিট করে তিনটি সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে বলেছে আমা’দের কাছে ৬ লাখ টাকা পাবে। তপন চক্রবর্তীর বিচার দাবি করে ওই দুই ছাত্রীর মা মন্ডল বলেন, একদিকে মেজো মেয়ের সংসার

তবে এসব অভি’যোগের বিষয়ে তপন চক্রব’র্তী বলেন, তারা গত নভে’ম্বর মাসে আমার কাছ থেকে ছয়লাখ টাকা নিয়ে দুই মেয়ের বিয়ে দিয়েছে। সেই টাকা ফেরত না দেয়ার জন্য এই তালবা’হানা শুরু করেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি

Leave a Reply

x