কখনো মোবাইল ব্যবহার করেননি, ক্যডার হয়ে বেতন পেয়েই কেনেন মোবাইল.!

অনার্স-মাস্টার্স শেষ করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘অধিভুক্ত ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজ থেকে। তবে তিনি বিসিএ’স এর জন্য কোনদিন প্রাইভেট কিংবা কোচিং করেননি। এমনকি ব্য’বহার করেননি মোবাইলও। নিজের চেষ্টায় পড়াশোনা করে’ এবার ৩৮তম BCS-এ তাক লাগিয়ে দিয়েছেন রেজোয়া’ন।

বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন শিক্ষিকা’ মায়ের এই মেধাবী সন্তান। National University-তে পড়া’শোনা করেও তিনি স্বপ্নজয় করে নিয়েছেন।”

জানা গেছে, রেজোয়ান ইফতেকারের বাড়ি ময়মনসিংহের ‘নান্দাইল পৌরসভার চণ্ডীপাশা নতুন বাজার এলাকায়। ”’ব্যবসায়ী বাবা ইফতেকার হোসেন বাবুল ও মাধ্যমিক স্কুলশিক্ষিকা কুলসুম ইফতেকারের বড় সন্তান তিনি। ।’

ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতেন চিকিৎসক হওয়ার। কিন্তু একটা জেদের কারণে সেই লক্ষ্য পাল্টে যায়। BCS ক্যাডার হওয়া”র স্বপ্ন দেখতে থাকেন তিনি। অবশেষে তার সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।

ছোটবেলা থেকেই ছিলেন মেধাবী। স্থানীয় বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে পেয়েছিলেন মেধাবৃত্তি। ২০০৭ সালে এসএস’সিতে জিপিএ-৫ পেয়ে মাধ্যমিক পাশ করেন। তারপর ২০০৯ সা’লে এইচএসসিতে ৪.৮০ পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিকের গন্ডি পার করে’ন রেজোয়ান।

সর্বশেষ আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ২০১৪-১৫ ‘সালের অনার্সে ৩.০৮ এবং মাস্টার্সে ৩.১৩ পেয়েছেন।

রেজোয়ান জানান, তিনি কখনো মোবাইল ফোন ব্যবহার ক’রেননি। নিজের প্রয়োজনে বন্ধুদের মোবাইল ব্যবহার করতেন ক্ষণিকের জন্য। অনার্স-মাস্টার্স শেষ করেছেন নিজের ম’তো করে। সব ক্ষেত্রেই সফলতা পেয়েছেন।’

অনার্স-মাস্টার্স শেষ করে তিনি বসে থাকেননি। প্রাথমিক ‘বিদ্যালয়ে্র Interview দিয়েই চাকরি পেয়ে যান। স্থা’নীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ দেন সহকারী শি’ক্ষক হিসেবে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে চাকরিতে যোগ দিয়ে মে ‘মাসের বেতন পেয়ে তিনি জীবনের প্রথমবারের মতো নেন একটি ‘মোবাইল ফোন।
এখন মেধাবী রেজোয়ানের ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে। শিঘ্রই” যোগদান করবেন এক্সকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে।”

Leave a Reply

x