উম্মতকে নিয়ে, মহানবী (সা.)-এর আশঙ্কা…!

প্রিয় নবী (সা.) তিনি ছিলেন, দয়ার নবী। বিশ্ববাসীর জন্য রহমতস্বরূপ। উম্মতের জন্য কোনটা কল্যাণকর আর কোনটা, অকল্যাণকর—এ নিয়ে আমাদের বারবার সতর্ক করেছেন। নিজের, উম্মতকে নিয়ে যেসব ব্যাপারে আশঙ্কা করেছেন, সেসব বিষয়ে আগে থেকেই আমাদের, সাবধান করে গেছেন। মানুষের কিছু চরিত্র আর অভ্যাসের ব্যাপারে, তিনি আশঙ্কা করেছেন, তাই তিনি এগুলো স্পষ্টভাবে বলে গেছেন। এ ছাড়া কিছু মন্দ লোকের, ব্যাপারে তিনি আমাদের সতর্ক করে গেছেন, তাই সেসব, মানুষের নাম-বৈশিষ্ট্য উম্মতের সামনে স্পষ্ট করেছেন, যেন এসব থেকে উম্মত বেঁচে থাকতে, পারে। নিম্নে সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা হলো—
দুনিয়ার মোহ

দুনিয়ার প্রতি অতিরিক্ত ভালোবাসা এই উম্মতকে, গোমরাহ করে দেবে। এ ব্যাপারে তিনি আমাদের সতর্ক, করেছেন। রাসুল (সা.) বলেছেন, আল্লাহর কসম! আমি তোমাদের নিয়ে দারিদ্র্যের, ভয় করি না। কিন্তু এ আশঙ্কা করি যে তোমাদের ওপর দুনিয়া, এমন প্রসারিত হয়ে পড়বে, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর প্রসারিত হয়েছিল। আর তোমরাও, দুনিয়ার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়বে, যেমন তারা, আকৃষ্ট হয়েছিল। আর তা তোমাদের বিনাশ করবে, যেমন তাদের বিনাশ করেছে। (সহিহ বু,খারি, হাদিস : ৩১৫৮)

গোপন শিরকের ভয়
গোপন শিরক বা শিরকে খপি। অর্থাৎ ইবাদত, করবে লোক দেখানোর জন্য। মানুষ দান করবে, যাতে তার দা,নশীলতা নিয়ে আলোচনা করা হয়। আবু সাইদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, আমাদের নিকট, রাসুল (সা.) বের হলেন, আমরা তখন দাজ্জাল সম্পর্কে, আলোচনা করছিলাম। তিনি (সা.) বলেন, আমি কি তোমাদের এমন বিষয়, অবহিত করব না, যা আমার মতে তোমাদের জন্য দাজ্জালের চেয়েও ভয়ংকর?, বর্ণনাকারী বলেন, আমরা বললাম, হ্যাঁ, অবশ্যই। তিনি বলেন, গোপন শিরক। মানুষ নামাজ, পড়তে দাঁড়ায় আর অন্যদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য সুন্দরভাবে না,মাজ পড়ে। (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৪২০৪)

সমকামিতার আশঙ্কা
সমকামিতা এমন পাপ যা আল্লাহর কাছে সবচেয়ে, ঘৃণিত এবং এর কারণে আল্লাহ তাআলা পূর্ববর্তী উম্মতের, ওপর আজাব নাজিল করেছেন। আমাদের প্রিয় নবী উম্মতের ব্যাপারেও এই ভয়াবহ অপরা,ধের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। রাসুল (সা.) বলেছেন, আমি, যে কুকর্মটি আমার উম্মতের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার সর্বাধিক ভয় করি তা হলো লুত সম্প্রদায়ের, কুকর্ম। (জামে তিরমিজি, হাদিস : ১৪৫৭)

Leave a Reply

x