ইসরাইলের বিরুদ্ধে এবার ঐক্যবদ্ধ ল’ড়া’য়ের ঘোষণা দিল ‘হামাস ও ইসলামিক জিহাদ’

শান্তি চুক্তির নামে ইহুদীবাদী স’ন্ত্রা’সী’দের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বীকৃতির তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ফি’লি’স্তিনি প্রতিরোধ আ’ন্দো’লন হামাস ও ইসলামিক জিহাদ।

এই বিতর্কিত চুক্তির বিষয়ে টেলিফোনে পরস্পর মতবিনিময় করছেন হামাস প্রধান ইসমাঈল হানিয়াহ ও ইসলামিক জিহাদ নেতা জিয়াদ আল নাখালা। এসময় ইসমাঈল হানিয়া বলেন,

আমরা উভয় আ’ন্দো’লনের নে’তৃ’ত্বে’র মধ্যে অবিচ্ছিন্ন সমন্বয় সাধন করবো এবং সর্বদা ইসরাইলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাবো। আমরা আমিরাতের মতো বি’শ্বা’স’ঘাতকদের কোন কাজে প্রভাবিত হবেনা।

এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলছে, আমিরাতকে অবশ্যই এই লজ্জাজনক চুক্তি বাতিল করতে হবে। এটি ফিলিস্তিন, আরব ও ইসলামের নীতিমালা লঙ্ঘন করেছে।
সূত্র: মিডলইস্ট মনিটর

(আরো পড়ুন: মুসলমানদের ক্বেবলা একদিন মুক্ত হবেই, সেদিন ইসরাইল পানির মতো ভেসে যাবে: ইরান)

ইরান বলছে- মুসলমানদের এই প্রথম ক্বেবলা একদিন মুক্ত হবেই; সেদিন ইসরাইলের সঙ্গে তার সহযোগীরাও বানের পানির মতো ভেসে যাবে। স্বাভাবিক কূ’ট’নৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের নামে ইহুদীবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বীকৃতির সিদ্ধান্তের তী’ব্র নি’ন্দা জানিয়েছে ইরান।

তেহরান বলেছে, আবু ধাবি এ কাজ করে কৌশলগত নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দিয়েছে এবং এর অবশ্যম্ভাবী ফল হিসেবে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে প্রতিরোধ অক্ষ শক্তিশালী হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাত মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে ই’হু’দি’বাদী ইসরাইলের সঙ্গে কূ’ট’নৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে সম্মত হওয়ার পর তেহরান এ প্রতিক্রিয়া জানাল।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সকালে এক বিবৃতিতে এসব কথা বলে। বিবৃতিতে বলা হয়, নি’র্যা’তিত ফিলিস্তিনী জাতিসহ বিশ্বের কোনো স্বাধীনচেতা জাতি অবৈধ দ’খ’লদার ও অপরাধী ইসরাইলের সঙ্গে তার অপরাধের ভাগীদারদের এই সম্পর্ক স্থাপন প্রক্রিয়াকে কখনো ক্ষমা করবে না।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ফি’লি’স্তিনী ভূখণ্ড ও মুসলমানদের প্রথম ক্বেবলা আল-আকসা মসজিদ মুক্ত করার লক্ষ্যে গত সাত দশক ধরে যে প্রতিরোধ সংগ্রাম চলে এসেছে তা আজ হোক কিংবা কাল ইসরাইলসহ তার অপরাধের সকল সহযোগীকে একসঙ্গে গ্রাস করবে।

একটি অবৈধ ও মানবতাবিরোধী রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে সংযুক্ত আরব আমিরাত চরম বিপজ্জনক কাজ করেছে। এই ঘটনার জের ধরে পারস্য উপসাগরে সম্ভাব্য যেকোনো পরিণতির জন্য আবুধাবিসহ এ অঞ্চলে তার সহযোগী সরকারগুলোকে দায়ী থাকতে হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইতিহাস বলে দেবে, সংযুক্ত আরব আমিরাত সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে ফিলিস্তিনি জাতিসহ গোটা মুসলিম উম্মাহর পিঠে যে খঞ্জর বসিয়েছে তার পরিণতিতে এ অঞ্চলের প্রতিরোধ আগের চেয়ে বেশি শক্তিশালী হবে। সেইসঙ্গে ইহুদীবাদী ইসরাইল ও তার তাবেদার আরব শাসকদের বিরুদ্ধে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে জনগণের ঐক্য ও সংহতি শক্তিশালী হবে।
সূত্র: পার্সটুডে

Articles You May Like

Leave a Reply

x