আরো সাত জেলায়, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, আতঙ্ক ছড়াচ্ছে তিস্তা..!

কালিহাতী ও বাসাইল উপজেলায় গতকাল, রবিবার বাঁধ ও সড়ক ভেঙে প্রায় ২০টি গ্রামের নিম্নাঞ্চল, প্লাবিত হয়েছে। ফলে সড়কপথে যাতায়াত বন্ধ রয়েছে। জেলার ভূঞাপুরে চরাঞ্চলের ফসলি জমিসহ, বিস্তীর্ণ এলাকা ডুবে গেছে। যমুনা, ধলেশ্বরী, ঝিনাই, বংশাই, লৌহজংসহ, বিভিন্ন নদীতে পানি বাড়ায় জেলার অন্য ৯ উপজেলার নিম্নাঞ্চলও, প্লাবিত হচ্ছে। লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, খাগড়াছড়ি, জামালপুর ও রাজবাড়ীর অনেক এলাকার, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। খাগড়াছড়িতে পানিতে, একজন ভেসে গিয়ে নিখোঁজ রয়েছেন।

ফরিদপুরে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি ও টানা বৃষ্টিতে, চরাঞ্চলের ২৬৪ হেক্টর জমির বাদামক্ষেত তলিয়ে গেছে,,। কুড়িগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। নীলফামারীতে দিনে উন্নতি, রাতে অবনতির, মধ্যে দিয়ে চলছে তিস্তার বন্যা পরিস্থিতি।

কালিহাতীর আনালিয়াবাড়ী এলাকায় বাঁধ,, ও বাসাইলের আন্ধিরাপাড়া-বালিনা সড়কের বালিনা, উত্তরপাড়া এলাকায় সড়কটি গতকাল ভেঙে যায়। স্থানীয়রা জানায়, দুই দিন ধরে আন্ধিরাপাড়া-বালিনা, সড়কের বালিনা উত্তরপাড়া এলাকার সড়কটির ওপর দিয়ে, পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। পরে অতিরিক্ত স্রোতের কারণে সড়কটি ভেঙে যায়। গতকাল সকালে আন্ধিরাপাড়ায়, আরো তিনটি স্থানে সড়ক ভেঙে যায়। দুই দিনে প্রবল, বেগে পানি ঢুকে উপজেলার বালিনা, আন্ধিরাপাড়া, আদাজান, কাঞ্চনপুর, কোদালিয়াপাড়াসহ কয়েকটি, এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

যমুনা নদীর স্রোতের কারণে পাড়, ধসের সঙ্গে চলছে ভাঙন। এতে গৃহহীন হচ্ছে মানুষ। জেলা পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম, জানান, যমুনা ও ঝিনাই নদীর পানি বিপত্সীমার, ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় জেলায় বড় বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে। জেলা কৃষি সমপ্রসারণ, অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আহ্সানুল বাশার জানান, বন্যায় যমুনার তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের, বিভিন্ন ফসল তলিয়ে গেছে।
ভূঞাপুরে ১৯ গ্রাম প্লাবিত

ভূঞাপুরে যমুনার পানি বাড়ায় গাবসারা ইউনিয়নের, পুরো চরাঞ্চল, অর্জুনা ইউনিয়নের ১৫টি গ্রাম ও, নিকরাইল ইউনিয়নের চার-পাঁচ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে ৩৫০ হেক্টর জমির পাট, ১৭০ হেক্টর জমির, তিল, ৮০ হেক্টর জমির শাক-সবজি, ১০ হেক্টর জমির, বোনা আউশ তলিয়ে গেছে। কোথাও কোথাও দেখা দিয়েছে নদীভাঙন। নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে, ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি।

Leave a Reply

x