আরিফ চৌধুরী এ মুহুর্তে আমার স্বামী না; ডা. সাবরিনা চৌধুরী

করোনার ভুয়া রিপোর্ট কেলেঙ্কারিতে ফেঁসে যাওয়া জেকেজি হাসপা’তালের প্রধান নির্বাহী (সিইও) আরিফ চৌধুরীর সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক অস্বীকার করেছেন জেকেজির অভিযুক্ত চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা।

তিনি বলেছেন, জেকে’জির সিইও আরিফ চৌধুরী এ মুহূর্তে আমার স্বামী না। আমরা আলাদা থাকছি। ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছি। আরও দুই মাস বাকি আছে (ডিভোর্স কার্যকর হতে)। এদিকে রোববার (১২ জুলাই) ডা. সাবরিনা’কে পুলিশের তেজগাঁও ডিসি কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

আরিফ চৌধুরীর সঙ্গে সম্পর্ক না থাক’লে তাহলে তার প্রতিষ্ঠানে কেন গেলেন বা কেন কাজ করছেন সময় সংবাদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জেকেজির স্বাস্থ্য’কর্মীদের আমি ট্রেনিং দিতাম। আমি শুধুর ট্রেনিং সেন্টার পর্যন্ত যেতাম। তিনি জেকেজির চেয়ারম্যা’ন নন বলেও দাবি করেন।

শনিবার (১১ জুলাই) সময় সংবাদকে দেয়া সাক্ষা’ৎকারে ডা. সাবরিনা এসব কথা বলেন। সাবরিনা বলেন, জেকেজির প্রতারণার বিষয়ে আমি আগেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক’কে জানিয়েছিলাম।

তবে ডা. সাবরিনা চেয়ার’ম্যান নন দাবি করলেও পুলিশ বলছে, তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন গ্রেফতার হওয়া তার স্বামী আরিফুল। শিগগিরই সাবরিনাকে জিজ্ঞাসা’বাদের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলেও জানান তারা।

করোনা পরীক্ষার মনগড়া রিপোর্ট দেয়া নিয়ে এখন আলোচনা’য় জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। অপকর্মের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের সিইও, তার স্বামী আরিফ চৌধুরীসহ ৬ জন কারাগারে।

সাবরিনা আরিফ বলেন, জেকেজির চেয়ারম্যান হওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। বরং এটা ওভাল কোম্পানির একটি অঙ্গ’সংগঠন। ওভাল গ্রুপ ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। যেখানকার মালিক হচ্ছেন আরিফুর রহমান।

প্রায় ৩ মাস ধরে নমুনা সংগ্রহের নামে যে প্রতারণা করেছে জেকেজি, সে কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন সাবরিনাও। সে সময় বিভিন্ন সংবাদ:মাধ্যমে নিজেকে চেয়ারম্যা’ন পরিচয় দিয়ে সাক্ষাৎকারও দিয়েছেন। তবে এখন কেন পদ-পদবীর কথা অস্বীকার করছেন?

সাবরিনা এ বিষয়ে বলেন, আমি ওনাকে কাজ পাইয়ে দিয়েছি, দিতাম এটা পুরো’পুরি মিথ্যে কথা। এখন অভিযোগ প্রমাণ হোক।

পুলিশ বলছে, জেকেজি’র প্রতারণা থেকে সাবরিনার কোনোভাবেই দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। কারণ তার স্বামী আরিফ চৌধুরী জিজ্ঞাসাবাদে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সাবরিনা’র সক্রিয় সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।

এসপি হারুন বলেন, সাবরিনা’র কথাও এসেছে। আমরা যখন এমডিকে জিজ্ঞাসা করেছি তখন সে বলেছে, চেয়ারম্যান আমার স্ত্রী।

Articles You May Like

Leave a Reply

x