আগামী সপ্তাহে দেশের ২৩ টি জেলায় ‘বন্যা’ হওয়ার সম্ভাবনা

সতর্কীক’রণ কেন্দ্রের তথ্যের বরাত দিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান জানিয়ে’ছেন, আগামী সপ্তাহে নতুন করে আরো ২৩ জেলায় বন্যা দেখা দেবে।

বৃহস্পতিবার বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে এক ভার্চু’য়াল প্রেস ব্রিফিং’য়ে তিনি এ তথ্য জানান।
দুর্যোগ ব্যবস্থা’পনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান দুর্যো’গ ব্যবস্থা’পনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন,

আগামী ১১ জুলাই থেকে ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, পদ্মা ও মেঘনা নদীর পানি বাড়’বে। এর ফলে ২৩ জেলা’র মানুষ বন্যাকব’লিত হবে।

এ বন্যার স্থায়িত্ব দীর্ঘায়ি’ত হতে পারে। সে জন্য ইতোম’ধ্যে প্রত্যেক জেলায় ২০০ টন চাল, ৫ লাখ টাকা, শিশু খাদ্যের জন্য ২ লাখ টাকা, গবাদিপশুর জন্য ২ লাখ টাকা এবং ২ হাজার শুকনা খাবা’রের প্যাকেট পাঠা’নো হয়েছে।

তিনি বলেন, যেসব জেলায় নতুন করে বন্যা দেখা দেবে সেগুলো হলো- কুড়িগ্রাম, লালমনি’রহাট, রংপুর, নীলফামারী, গাইবান্ধা, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, জামাল’পুর, রাজবাড়ী, শরিয়তপুর, ফরি’দপুর, মাদা’রীপুর, মানিকগঞ্জ,

মুন্সিগঞ্জ, চাঁদপুর, সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকো’ণা, কিশোরগঞ্জ, রাজ’শাহী, নাটোর ও নওগাঁ জেলা। এসব জেলায় আশ্রয়’কেন্দ্র প্রস্তুত রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলা’দেশ এখন কঠিন সময় মোকাবেলা করছে। করোনার মধ্যে আমরা প্রথমে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবে’লা করলাম।

এর পরই ১২টি জেলায় গত ২৬ জুন থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত স্বল্পমেয়াদি বন্যা মোকা’বেলা করেছি। সে সব জেলায় বর্তমানে অনেকটা স্বাভাবিক পরিস্থিতি চলে এসেছে।

যেহেতু বন্যায় বেশি এলাকা কবলিত হবে, মানুষকে আশ্রয়কে’ন্দ্রে আসতে হবে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে বেশি বেশি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করে রাখতে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

করোনা ভা’ইরাসের সংক্রমণ রোধে আশ্রয়কে’ন্দ্র গুলোতে যেন স্বাস্থ্যবিধি মানা হয় এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা যায়।

স্কুল-কলেজগুলোকে আশ্রয়’কেন্দ্রে রূপান্তর করে সেখানে সব ধরনের ব্যবস্থা করা হবে জানিয়ে ডা. মো. এনামুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি মোকাবে’লায় কতটি আশ্র’য়কেন্দ্র খোলা হলো এবং সেখানে কতজন আশ্রয় নিয়ে’ছেন, সে তালিকা ত্রাণ মন্ত্রণা’লয়ে পাঠাতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

Leave a Reply

x