অস্থির ডান্সে, স্টেজ মাতালেন স্বপ্না চৌধুরী, (ভিডিও)

স্বপ্না চৌধুরী ডান্স মানে তার অনুষ্ঠানে’ অনেক ডান্স এর আয়োজন করা হয়, তার ডান্স দেখার ‘জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে অনেক মানুষের ভিড় হয়।%

সম্প্রতি তার একটি ডান্সের ভিডিও ‘ভাইরাল হয়েছে,
ভিডিওটি উপভোগ করুন…’

আরোও পড়ুন..’দুর্গাপুজোয় সৃজিতের’ অপেক্ষায় থাকবে মিথিলা’, ২০১৮ সালে প্রথম বাংলা%দেশ ও ভারতের সীমানা পেরোই। কিন্তু সে বার পুজোর সময়ে ক’লকাতা আসিনি। ২০১৯ সালে সৃজিতের (মুখোপাধ্যায়) সঙ্গে বি’য়ের আগে প্রথম সেই কলকাতাকে দেখলাম।%

যে কলকাতায় চারদিকে ঢাক বাজছে, আলো দিয়ে সাজানো হয়েছে গোটা শহর, সবাই সেজেগু’জে ‘রাস্তায় বেরিয়েছে। এর আগে দুর্গাপুজো বলতে ‘পাড়ার পুজো’-কেই বুঝতাম।

ঢাকার সিদ্ধেশ্বরীতে বড় হয়েছি। সেখানে’ একটি কালীমন্দির রয়েছে। বিশাল আয়োজন করে দুর্গাপুজো’ হত। সপ্তাহজুড়ে মেলা বসত। আমরা ঠাকুর দেখতে যেতা’ম সেজেগুজে।কিন্তু তার মধ্যে ‘পাড়ার পুজো’-র আমেজটাই যে’ন বেশি। মন্দিরের প্রাঙ্গণ জুড়েই কেবল ঢাক বাজত। তার বাই’রে পুজো পুজো গন্ধ পেতাম না। তবে কোনও দিনও সাম্প্রদায়িক ‘কোনও কথা শুনিনি কারও কাছে।”

বাংলাদেশের জনসংখ্যার বেশির ভাগ ইসলামধ%র্মী। কিন্তু আমাদের ছোটবেলায় কোনও পুজো বা উৎসবে’র সময়ে মানুষ ধর্মের কথা মাথায় রাখতেন না। এখন যেমন ‘বিশ্বের প্রতিটি দেশে ছোঁয়াচে রোগের মতো সাম্প্রদায়িকতা’ ছড়িয়ে পড়েছে, আমাদের সময়ে কিন্তু সেই পরিস্থিতির মুখোমু’খি হইনি আমরা।দুর্গাপুজো, ঈদ বা বড়দিন— প্রতিটি উৎসবেই ‘আমরা একই ভাবে আনন্দ করেছি। তবে এ কথা ঠিক যে, “কলকাতায় যেমন বড় করে দুর্গাপুজো পালন করা হয়, বাংলাদে”শে তেমনই ঘটে ঈদের সময়ে। ঈদ যদিও খুব ঘরোয়া ভাবে উদ্‌যা’পিত হয়।

আত্মীয়দের বাড়িতে বাড়িতে যাওয়া, খাওয়া ‘বা খাওয়ানো— এ সবই আসল। দুর্গাপুজোর ক্ষেত্রে সেটি নয়। ‘দুর্গাপুজো মানে যে একটা গোটা শহরের উৎসব। কলকাতা যেন মু’খর হয়ে ওঠে। সেই চেহারাটিই দেখেছিলাম ২০১৯ সালে কল’কাতায় এসে।

সে বার প্রথম কলকাতার দুর্গাপুজো দেখি। আ%মি, সৃজিত, আয়রা বিভিন্ন পুজো মণ্ডপ ঘুরে বেরিয়েছি। কিছু’ মণ্ডপের কারুকার্য দেখে আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। উ’ৎসবের শৈল্পিক গুণে আমি মুগ্ধ।কলকাতার পুজো আমার ‘কাছে এখনও তাই বিস্ময়কর। আয়রা ঢাকাতেও কোনও দিন পু’জো দেখেনি। আমার মেয়ে প্রথম থেকেই কলকাতার পুজোর সঙ্গে’ পরিচিত।

কিন্তু ২০২০ সালে করোনার প্রকোপে সৃজিত আমা’দের বাড়ি থেকেই বেরোতে দেয়নি। করোনার ভয়ে বাড়িতে সিঁটি’য়ে বসেছিল ও। কিন্তু আমি তো ছাড়ার পাত্রী নই। গোটা’ পুজোয় বাড়ি বসে কাটিয়ে দিতে আমি রাজি ছিলাম না। বলে’ছিলাম, ‘‘ঠিক আছে, মণ্ডপে যাব না। কিন্তু বন্ধুদের বাড়িতে যাব’, খাওয়া দাওয়া করব, আড্ডা মারব।’’ সৃজিতকে আমার আবদা’র রাখতে হয়েছিল। প্রতি দিন বন্ধুদের বাড়ি গিয়েছি। আমার জা’মদানি শাড়িগুলি পরে পরে ছবি তুলেছি। তাই সেই% পুজোতেও কম আনন্দ করিনি।%

Articles You May Like

Leave a Reply

x